Tuesday, July 24, 2018

জাতীয় সংস্থা সেবা প্রদানের হেল্পলাইন

কেন্দ্রীয় কল সেন্টার: 
হটলাইন নম্বর: ১৬২৬৩

স্বাস্থ্য বাতায়ন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় পরিচালিত একটি সেবা। এই স্বাস্থ্য বাতায়নের হেল্পলাইন ১৬২৬৩ এ কল করে আপনি স্বাস্থ্য সংক্রান্ত যেকোন বিষয়ে সরাসরি ডাক্তারের পরামর্শ নিতে পারেন। এই হেল্পলাইন দিনরাত ২৪ ঘন্টা আপনার সেবায় নিয়োজিত।

এছাড়া স্বাস্থ্য বাতায়ন থেকে আপনি সরকারী হাসপাতাল, ডাক্তারের তথ্য কিংবা স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ক অন্যান্য যেকোন তথ্য এবং ফোন নাম্বার পেতে পারেন। সরকারী, বেসসরকারী স্বাস্থ্যসেবা অথবা হাসপাতাল বিষয়ক আপনার কোন অভিযোগ কিংবা পরামর্শ থাকলেও এই নম্বরে জানাতে পারেন। সেই অভিযোগ যথাযথ কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে দেয়া হবে এবং আপনাকেও জানিয়ে দেয়া হবে আপনার অভিযোগের ব্যাপারে কি ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

১৬২৬৩ ডায়াল করার পর, আপনার স্বাস্থ্য বিষয়ে পরামর্শের জন্য সরাসরি ডাক্তারের সাথে কথা বলতে 0 (শূন্য) চাপুন। আপনি যদি আপনার নিকটস্থ সরকারী হাসপাতাল, ডাক্তারের তথ্য কিংবা স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ে কোন কিছু জানতে চান, তাহলে ১ চাপুন।

আপনি যদি সরকারী-বেসরকারী হাসপাতাল, ক্লিনিক কিংবা অন্যান্য সরকারী স্বাস্থ্যসেবা সম্পর্কে কোন অভিযোগ জানাতে চান, তাহলে ২ চাপুন। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য বাতায়ন সেবাটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ৩ চাপুন। স্বাস্থ্য বাতায়ন সেবা সম্পর্কিত কোন পরামর্শ অথবা অভিযোগ জানাতে 8 চাপুন।

মনে রাখবেন, স্বাস্থ্য বাতায়ন কোন বানিজ্যিক সেবা নয় এবং এটি সবচেয়ে সাশ্রয়ী মূল্যে মোবাইল স্বাস্থ্যসেবা। এতে ফোন করতে প্রতিমিনিট ২.৩৭ টাকা চার্জ (ভ্যাটসহ) ও ১০ সেকেন্ড পালস প্রযোজ্য।


নারী ও শিশুদের সহায়তার জন্য জাতীয় কল সেন্টার

কেন্দ্রীয় কল সেন্টার:
হটলাইন নম্বর: ১০৯২২

নারী ও শিশুদের জন্য সঠিক সময়ে দ্রুততার সাথে সঠিক তথ্য প্রাপ্তি একটি চলমান সমস্যা । এই সমস্যা দূরীকরণে প্রকল্পের মাধ্যমে ঢাকায় জাতীয় মহিলা সংস্থায় প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে একটি কল সেন্টার ।

কৃষি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ব্যবসা, জেন্ডার, আইন এই ছয়টি বিষয়ের প্রতিটির উপর একজন করে বিশেষজ্ঞ কল সেন্টারে এজেন্ট হিসেবে কাজ করছে এবং ১০৯২২ হটলাইন নম্বরে ফোন করার মাধ্যমে দেশের যে কোন স্থান থেকে যে কেউ এই বিশেষজ্ঞগণের সেবা গ্রহণ করতে সক্ষম ।

এক সাথে ছয় জন সেবাগ্রহীতাকে সেবা প্রদান করার মত সুবিধা কলসেন্টারটিতে রয়েছে । কল সেন্টারের প্রধান সুবিধা হচ্ছে এই যে সেবাগ্রহিতা সশরীরে হাজির না হয়েও কোন রকম সংকোচ ছাড়াই তার/ তাদের সকল ধরনের ব্যক্তিগত সমস্যাদি বিষয়ে সমাধান চাইতে সক্ষম হচ্ছে

Monday, July 23, 2018

জাতীয় পরিচয়পত্র হারিয়ে গেলে করণীয়

১। প্রশ্নঃ ID Card হারিয়ে গিয়েছে। কিভাবে নতুন কার্ড পেতে পারি?
উত্তরঃ নিকটতম থানায় জিডি করে জিডির মূল কপিসহ সংশ্লিষ্ট উপজেল/থানা নির্বাচন অফিসারের কার্যালয়ে অথবা ঢাকায় জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগে আবেদন করতে হবে।

২। প্রশ্নঃ হারানো আইডি কার্ড পেতে বা তথ্য সংশোধনের জন্য কি কোন ফি দিতে হয়?
উত্তরঃ এখনো হারানো কার্ড পেতে কোন প্রকার ফি দিতে হয় না। তবে ভবিষ্যতে হারানো আইডি কার্ড পেতে/সংশোধন করতে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ফি ধার্য করা হবে।

৩। প্রশ্নঃ হারানো ও সংশোধন একই সাথে করা যায় কি?
উত্তরঃ হারানো ও সংশোধন একই সাথে সম্ভব নয়। আগে হারানো কার্ড তুলতে হবে, পরবর্তীতে সংশোধনের জন্য আবেদন করা যাবে।

৪। প্রশ্নঃ হারিয়ে যাওয়া আইডি কার্ড কিভাবে সংশোধন করব?
উত্তরঃ প্রথমে হারানো আইডি কার্ড উত্তোলন করে তারপর সংশোধনের আবেদন করতে হবে।

৫। প্রশ্নঃ প্রাপ্তি স্বীকারপত্র / স্লিপ হারালে করণীয় কি?
উত্তরঃ স্লিপ হারালেও থানায় জিডি করে সঠিক ভোটার আইডি নাম্বার দিয়ে হারানো কার্ডের জন্য আবেদন পত্র জমা দিতে হবে।

৬। প্রশ্নঃ প্রাপ্তি স্বীকারপত্র / ID Card হারিয়ে গেছে কিন্তু কোন Document নেই বা NID নম্বর/ ভোটার নম্বর/ স্লিপের নম্বর নেই, সে ক্ষেত্রে কি করণীয়?
উত্তরঃ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/ থানা/ জেলা নির্বাচন অফিস থেকে Voter Number সংগ্রহ করে NID Registration Wing/ উপজেলা/ থানা নির্বাচন অফিসারের কার্যালয়ে আবেদন করতে হবে।

৭। প্রশ্নঃ জাতীয় পরিচয়পত্রে নেই কিন্তু তথ্য পরিবর্তিত হয়েছে এমন তথ্যাদি পরিবর্তন কিভাবে সম্ভব?
উত্তরঃজাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগে এ সংক্রান্ত কাগজপত্রাদি সহ আবেদন করলে যাচাই-বাছাই করে বিবেচনা করা হবে।

৮। প্রশ্নঃ জাতীয় পরিচয় পত্রের মান বর্তমানে তেমন ভালো না এটা কি ভবিষ্যতে উন্নত করার সম্ভাবনা আছে?
উত্তরঃ হ্যাঁ। আগামীতে স্মার্ট আইডি কার্ড প্রদানের জন্য কাযর্ক্রম চলমান আছে যাতে অনেক উন্নত ও আধুনিক ফিচার সমৃদ্ধ থাকবে এবং মান অনেক উন্নত হবে।